সোমালিয়া ওয়েব নিউজ: আজ থেকে ছয়শো পঁচিশ বছর আগে সর্ব ত্যাগী সন্ন্যাসী স্বামী ধ্রুবানন্দ মাহেশে যে জগন্নাথ দেবের মন্দির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তা আজও সারা দেশের লক্ষ লক্ষ ভক্ত প্রাণ মানুষের কাছে একটা তীর্থস্থান। কিন্তু দীর্ঘকালের এই মন্দির হওয়া সত্ত্বেও এখানে সেইভাবে সংস্কারের কাজ এর আগে কোনও দিন হয়নি। রাজ্য সরকারের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী তিনি ২০১৮ সালে ঘোষণা করেছিলেন ভারতবর্ষের দ্বিতীয় বৃহত্তম রথ এবং জগন্নাথ দেবের মন্দির ঢেলে সাজিয়ে তুলে এখানে একটা পর্যটন কেন্দ্র করা হবে। সেইমতো ২০১৯ সাল থেকে প্রাচীন এই দেবালয়ের সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। মূল মন্দির, ভোগের ঘর, যাত্রীনিবাস, প্রসাদগ্রহনের স্থান, মন্দির সংলগ্ন অন্যান্য দেবদেবীদের মন্দির এবং নাটমন্দির সহ জি টি রোড এর উপর তৈরি হচ্ছে একটি বিশাল তোরণ যেটা মাহেশের জগন্নাথ দেবের মন্দিরের মূল সিংহদ্বার হিসেবে তৈরি করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে বলতে গিয়ে জগন্নাথ দেব মন্দিরের সেবাইত তমাল অধিকারী জানান পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতবর্ষের অন্যতম তীর্থস্থান হচ্ছে হুগলির মাহেশ। প্রতিবছর রথের সময় লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাবেশ হয় জগন্নাথদেবের এই পূর্ণ স্থানে। ৬২৫ বছরের এই জগন্নাথ দেবের মন্দিরে কোন না কোন সময় আসেননি এমন মহাপুরুষ খুবই কম আছেন। চৈতন্যদেব থেকে শুরু করে ঠাকুর রামকৃষ্ণ মা সারদা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রবীন্দ্রনাথ সহ বহু পুনত্মার পদধূলি এই মহেশের পূণ্যভূমিতে পড়েছে। তাই এর গুরুত্ব অনুধাবন করে আমাদের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী এটিকে একবারে নুতন রূপ দিচ্ছেন ইতিমধ্যে ১৫ কোটি টাকা খরচ হয়েছে সংস্কারের কাজে ।এখানকার এই মন্দির সংস্কারের কাজ শুধু মূল নয়, মন্দির থেকে দেড় কিলোমিটার দূরে জগন্নাথ দেবের মাসির বাড়িতেও সংস্কারের কাজ হচ্ছে। এর সঙ্গে সঙ্গে এখানকার গঙ্গাতীরে যে জগন্নাথ ঘাট রয়েছে সেখানে টাও সুন্দরভাবে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ওখানে আলোকসজ্জা সহ একটি মনোরম উদ্যান তৈরি করা হয়েছে। যা মাহেশ বাসীর কাছে একটা গর্বের বিষয় হয়ে দাঁড়াবে ।তমাল বাবু বলেন ইতিমধ্যে মূল কাজের ৯০% হয়ে গেছে আর বাকি যেটুকু কাজ আছে তার জন্য অর্থএলেই কাজ সম্পন্ন হবে,এবং এই পর্যটন কেন্দ্রটি গড়ে ওঠার ফলে এখানকার অর্থনৈতিক চলচ্চিত্রেরও আমূল পরিবর্তন ঘটবে বলে মনে করে স্থানীয় মানুষরা।:
![]()

More Stories
ফুরফুরা পঞ্চায়েতে জট কাটল, ৫ বিজয়ীকে শংসাপত্র দেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের
সহযোদ্ধার বিদায়, নিভে গেল এক নীরব শক্তির প্রদীপ—প্রয়াত গোঘাটের মনোরঞ্জন পালের স্ত্রী শোভা পাল
ভুলতে বসা সুরের মানুষ— শেষ গান ‘ওগো বন্ধু বিদায়’ আজও ভাসায় চোখের জল”