সোমালিয়া ওয়েব নিউজ বন্যার পর তিন সপ্তাহ কেটে গেছে। বন্যার জলের বেশিরভাগটাই নেমে গেছে। আর সেই সঙ্গে আরও বেশি করে প্রকট হয়ে উঠছে ধ্বংসের চিহ্ন। চারদিকে ভেঙেচুরে পড়ে রয়েছে পাকা বাড়ি। মাটির বাড়ির কোন চিহ্নই নেই। জলের সঙ্গে মিশে কোথায় হারিয়ে গেছে। ভেসে গেছে এলাকার বহু গাছপালা, ক্লাব ঘর এমনকি মন্দির পর্যন্ত। বাঁধভাঙা জলের স্রোতে সবকিছু ভেসে গেছে। এমনই দৃশ্য দেখা গেল বন্যা বিধ্বস্ত খানাকুলের ধান্যঘোড়ীতে। রূপনারায়ন নদের বাঁধ ভেঙে গ্রামের পর গ্রাম জলে ডুবে গিয়েছিল। দিন তিনেক আগে থেকে আবার বাস চলাচল শুরু হয়েছে। তবে গ্রামের দিকের রাস্তা ষগুলো এখনও ভাঙা থাকায় তেমনভাবে টোটো-অটো চলতে পারছে না। দোকানপাটও একটু একটু করে খুলতে শুরু করেছে। স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে দোকান-বাজার ও রাস্তার উপর জমে থাকা বন্যার পলিমাটি সরানোর কাজ চলছে। রাস্তার ভেঙে যাওয়া অংশগুলো আপাতত চলাচলের মতো করে মেরামত করে দেওয়া হচ্ছে। এখনও এই গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকাতেই ৬০ জন মানুষ ত্রাণ শিবিরে রয়েছেন। কতদিন থাকতে পারবেন তাও জানেন না। আগামী দিনগুলোই তাঁদের কিভাবে কাটবে তাঁরা এখনও বুঝে উঠতে পারছেন না। কারণ মাথার ওপর ছাদ চলে গেছে এই সকল মানুষদের। লিপিকা সামন্ত, প্রিয়াঙ্কা মন্ডল প্রমুখদের আবেদন, যদি মুখ্যমন্ত্রী বা স্থানীয় প্রশাসন তাদেঁর জন্য থাকার জন্য কিছু একটা ব্যবস্থা করেন তাহলে হয়তো তাঁরা আবার বেঁচে থাকার লড়াই শুরু করতে পারবেন।
![]()

More Stories
ফুরফুরা পঞ্চায়েতে জট কাটল, ৫ বিজয়ীকে শংসাপত্র দেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের
সহযোদ্ধার বিদায়, নিভে গেল এক নীরব শক্তির প্রদীপ—প্রয়াত গোঘাটের মনোরঞ্জন পালের স্ত্রী শোভা পাল
ভুলতে বসা সুরের মানুষ— শেষ গান ‘ওগো বন্ধু বিদায়’ আজও ভাসায় চোখের জল”