সোমালিয়া সংবাদ,খানাকুল: ছেলেবেলার পাঠ্যবই ‘কিশলয়’-এর কাল্পনিক চরিত্রগুলি নববর্ষের সকালে হঠাৎই যেন জীবন্ত হয়ে উঠেছিল। সারিবদ্ধ ভাবে সেই সমস্ত চরিত্রগুলিকে দেখে অনেকেরই ছেলেবেলার কথা মনে পড়ে যাচ্ছিল। কে নেই সেখানে? দামোদর শেঠ, আব্দুল মাঝি, অমল ও দইওয়ালা, বংশী বদন, ভাগ্নে মদন, বাবুরাম সাপুড়ে, খুকু ও খোকা, বিবেকানন্দ সহ আরও অনেকেই হেঁটে চলেছিল খানাকুলের কৃষ্ণনগরের রাস্তায়। বাঙালিয়ানাকে ফিরিয়ে আনতে শুক্রবার ‘আমরা বাঙালি, বাংলা মোদের গর্ব’ এই ব্যানারে নতুন বছরকে স্বাগত জানালেন তৃণমূল যুবনেতা তথা প্রাক্তন সেনাকর্মী অর্ণব সরকার ও তাঁর সহকর্মীরা। এই উপলক্ষে এদিন স্থানীয় গোপীনাথ মন্দির সংলগ্ন এলাকায় এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এখানে উপস্থিত ছিলেন হুগলি জেলা সভাধিপতি মেহেবুব রহমান, সাংসদ অপরূপা পোদ্দার, তৃণমূলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি অভিজিৎ বাগ, গবেষক দেবাশিস শেঠ, খানাকুল-১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি নইমূল হক থেকে শুরু করে অসংখ্য সাধারণ মানুষ। পাশ্চাত্য আগ্রাসন এবং মোবাইল ও ইন্টারনেটের প্রাধান্য কিভাবে বাংলা ও বাঙালিয়ানাকে আঘাত করছে তা অনেকেই তাঁদের বক্তব্যে তুলে ধরেন। এসবের হাত থেকে কিভাবে বাঙালিয়ানাকে টিকিয়ে রাখতে হবে সে নিয়েও তাঁরা আলোকপাত করেন। এ বিষয়ে অনুষ্ঠানের প্রধান উদ্যোক্তা অর্ণব সরকার বলেন, বর্তমানে মোবাইল ও ইন্টারনেটের যুগে বিখ্যাত মনীষী ও সাহিত্যিকদের সৃষ্টি বিভিন্ন কবিতা, গল্প ও উপন্যাসগুলিকে আরও বেশি করে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। বাংলা সংস্কৃতির যে সুমহান ঐতিহ্য রয়েছে তা আরও সামনে নিয়ে আসতে হবে। এ ব্যাপারে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।
![]()

More Stories
অত্যাচার, হুমকি পেরিয়ে আজও লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি”—আরামবাগে বিজেপির সংখ্যালঘু সেল সভাপতির বক্তব্য
জয়ের নেপথ্যের সংগঠক
১৫ বছর পর গোঘাটের সমবায় সংগঠনের ইউনিয়ন অফিস ফিরে পাচ্ছে সমবায় কর্মচারী সংগঠন