সোমালিয়া সংবাদ, হুগলি: বাঁচানো গেল না হুগলি জেলার স্বাধীনতা আন্দোলনের পীঠস্থানকে।গান্ধীজী, চিত্তরঞ্জন দাশ, নজরুল ইসলামের মতো একের পর এক মহান ব্যক্তিত্বের পা পড়েছে হুগলির বিদ্যামন্দির ভবনে। আজ সেই ভবনই ইতিহাস। প্রমোটারদের কবলে বিপ্লবীদের আস্তানা।দেশপ্রেমিকদের স্মৃতিচিহ্ন মাটির সঙ্গে মিশে যাচ্ছে। অথচ স্বাধীন দেশের প্রশাসন চুপ। চোখ বুঝে রয়েছে। তাকে সংরক্ষণ করা বা সংস্কার করার কোনও উদ্যোগ নেই। হুগলির ইমামবাড়ার সন্নিকটে ছিল এই বিদ্যামন্দির ভবন। কিন্তু সেই ভবন আজ ধুলোয় মিশে গেছে। টিন দিয়ে ঘেরা ওই জায়গা। একাংশের উঁচু পাচিলের উপর থেকে কোনভাবে নজর দিলে দেখা যাবে পড়ে রয়েছে নির্মাণ সামগ্রী। অর্থাৎ প্রমোটারের হাতে পৌঁছে গেছে এই জমিটিও। আগামী দিনে এখানেই গড়ে উঠবে ঝাঁ চকচকে ফ্ল্যাট। হুগলি-চুঁচুড়া পৌরসভার পৌরপ্রধানও একথা স্বীকার করলেন। বিদ্যামন্দির ভবনের সামনে তৈরী গান্ধীজীর আবক্ষ মূর্তিটিও ফ্যাকাসে হয়ে পড়বে অত্যাধুনিক আবাসনের পাশে। উচ্চ শিক্ষিত মানুষদের বাসস্থান হয়ে উঠবে এই ভবন। তাঁদের মাঝেই চাপা পড়ে থাকবে বিপ্লবীদের ইতিহাস সমৃদ্ধ হুগলির বিদ্যামন্দির ভবন। এখন দেখার প্রশাসন কি পদক্ষেপ নেয়।
![]()

More Stories
সুরে-সুরে ধর্মের ও আধ্যাত্মিকতার মিলবন্ধনের বার্তা, ভাদুরে বিশ্বকর্মা পুজোর মেলায় কাওয়ালির আসর
মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুক পোস্ট, গোঘাট থানায় অভিযোগ—যুবক আটক
বাঁশের কঞ্চির ছিপ থেকে আধুনিক চারা,রিল—বদলে গিয়েছে মাছ ধরার সরঞ্জামের দুনিয়া