সোমালিয়া ওয়েব নিউজ: খাবার টেবিলে বসলেই কেবল ম্যাগি খেতে হতো। অন্য কোনও খাবার টেবিলে দিতেন না স্ত্রী। তিনবেলা শুধু ম্যাগি ম্যাগি আর ম্যাগি। এছাড়া আর কিছুই রাঁধেন না স্ত্রী। তিতিবিরক্ত হয়ে ইনস্ট্যান্ট ডিভোর্স ঘোষণা করে বসলেন কর্ণাটকের বল্লরির যুবক। এই অভিযোগ পেয়ে হতবাক অনেকেই। এইসব দেখেই বিচারপতি এমএল রঘুনাথের দ্বারস্থ তাঁর স্বামী। ডিভোর্স চাই তাঁর। জানা গিয়েছে, ‘স্বামীর কথায় তাঁর স্ত্রী ম্যাগি ছাড়া অন্য কোনও খাবার রাঁধতে পারেন না। জলখাবার, লাঞ্চ, ডিনার, সবেতেই ম্যাগি খেতে হত। বাজার গিয়েও নাকি কেবল ম্যাগিই আনতেন স্ত্রী।’ একইসঙ্গে তিনি জানান যে ‘ম্যাগি কেস’-এর সমাধান করা যায়নি এবং মিউচুয়ালি তাঁরা বিচ্ছেদে মত দেন। বিগত কিছু বছরে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা প্রচুর বেড়েছে। সাধারণত দম্পতিকে এক বছর অন্তত এক ছাদের তলায় থাকতে হয় ডিভোর্স নেওয়ার আগে। যদি এমন কোনও আইন না থাকত তাহলে হয়তো বিয়ের পিঁড়ি থেকেই সোজা বিচ্ছেদের মামলা করতে দেখা যেত। সবমিলিয়ে এই রকম এক বিবাহ বিচ্ছেদ মামলা প্রকাশ্যে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়ায়।
![]()

More Stories
ফ্রান্সে ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ
“ন মে ভক্তঃ প্রণশ্যতি”—বলরাম দাসের অলৌকিক রথযাত্রার লীলা
বিশ্বাসের বন্ধন: শ্রী রামকৃষ্ণ ও নরেন্দ্রনাথের এক স্মরণীয় ঘটনা