সোমালিয়া সংবাদ, গোঘাট: দলীয় বিধায়কের বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেন বিজেপির এক স্থানীয় নেতা। এই ঘটনায় গোঘাট তথা আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা বিজেপিতে তীব্র আলোড়ন শুরু হয়েছে। দলেরই অনেকে এই বক্তব্যকে সমর্থন করে তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন। ওই বিজেপি নেতার নাম কুমারেশ মাল। বর্তমানে তিনি গোঘাটের ৪৬ নম্বর জেড পির শক্তিকেন্দ্রের প্রমুখ। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও পোস্ট করে গোঘাটের বিজেপি বিধায়ক বিশ্বনাথ কারককে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, এরকম একজন ব্যক্তিকে জিতিয়ে আনাটা আমাদের চরম ভুল হয়েছে। এখন আমরা আমাদের ভুল বুঝতে পারছি। দলের অসংখ্য কর্মী বাড়িছাড়া। তারা খেতে পাচ্ছে না। আর বিধায়ক বিশ্বনাথ কারককে ফোন করলে তিনি ব্যস্ততা দেখাচ্ছেন। এ বিষয়ে কুমারেশ আরও বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে আপনাকে বহুবার ফোন করেছি। আপনি এত ব্যস্ততা দেখিয়েছেন যে শাসকদলের বিধায়করাও এত ব্যস্ত নয়। কাঁটালি এলাকার চারটি বুথের চারজন সভাপতি বাড়িছাড়া। তারা আপনাকে বার বার ফোন করেছে। কিন্তু আপনি হয় ব্যস্ততা দেখিয়েছেন নয়তো ফোন রিসিভ করেননি। অথচ এই সমস্ত কর্মীরা রাতদিন করে খেটে আপনাকে জিতিয়েছে। তাহলে আপনি কিসের জনপ্রতিনিধি হয়েছেন। আপনি ফেসবুকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা নিয়ে নিজের ছবি পোস্ট করেছেন। অথচ দলের কর্মীরা যে নিরাপত্তাহীনতায় বাড়ি ছেড়েছে সে ব্যাপারে খোঁজ নিচ্ছেন না। আপনার লজ্জা হওয়া উচিত। যারা জীবন বাজি রেখে আপনাকে ভোটে জিতিয়েছে তারাই বাড়িছাড়া। কুমারেশ একরাশ ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে বলেন, পাঁচ বছর পরে আপনার এই কাজের পুরস্কার বিজেপি কর্মীরাই আপনাকে দিয়ে দেবে। চিন্তা করবেন না। পাশাপাশি এদিন কুমারেশ বিজেপির জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বের বিরুদ্ধেও সরব হন। তিনি বলেন, জেলার নেতৃত্ব ও রাজ্য নেতৃত্ব তো ঘরে ঢুকে গেছে। কেউ কেউ তো আবার সেটেলমেন্ট করে নিয়েছে। সত্যিই এটা ভারতীয় জনতা পার্টি। মানতে হবে বস। ভাবতেই অবাক লাগছে।
![]()

More Stories
বন্দুকের মুখে তোলাবাজির ছক বানচাল, মগরা পুলিশের জালে চার
বালিবেলা সরস্বতী শিশু মন্দিরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হলো ৩২তম বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
চামড়া, কাঠ আর নিপুণ হাতের ছোঁয়া! সুরের আড়ালে কারিগরদের জীবনসংগ্রাম