সোমালিয়া ওয়েব নিউজঃ আজ ২৩ ডিসেম্বর, দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে জাতীয় কৃষক দিবস। ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও কৃষকবন্ধু নেতা চৌধুরী চরণ সিং-এর জন্মদিন উপলক্ষে প্রতিবছর এই দিনটি জাতীয় কৃষক দিবস হিসেবে পালিত হয়। কৃষকদের অবদান স্মরণ করা এবং তাঁদের সমস্যা, সংগ্রাম ও সাফল্যকে তুলে ধরাই এই দিবস পালনের মূল উদ্দেশ্য।
ভারতের অর্থনীতি ও সমাজব্যবস্থার মেরুদণ্ড হল কৃষক সমাজ। দেশের প্রায় অর্ধেকেরও বেশি মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির সঙ্গে যুক্ত। মাঠে ফসল ফলানো থেকে শুরু করে দেশের খাদ্য ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করা—কৃষকদের অক্লান্ত পরিশ্রমেই আজ দেশ খাদ্য ক্ষেত্রে স্বনির্ভর। সবুজ বিপ্লব থেকে শুরু করে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার—প্রতিটি ক্ষেত্রেই কৃষকের ভূমিকা অনস্বীকার্য।
তবে কৃষকের এই অবদানের পাশাপাশি তাঁদের জীবনযাত্রা এখনও নানা চ্যালেঞ্জে ঘেরা। আবহাওয়ার অনিশ্চয়তা, উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি, ন্যায্য মূল্যের অভাব, ঋণের বোঝা এবং বাজার ব্যবস্থার অসংগতি আজও বহু কৃষকের নিত্যসঙ্গী। এই বাস্তবতাকে সামনে রেখেই কৃষকদের আর্থিক সুরক্ষা, ফসল বিমা, ন্যূনতম সহায়ক মূল্য এবং আধুনিক কৃষি পরিকাঠামো গড়ে তোলার ওপর জোর দিচ্ছে সরকার।
জাতীয় কৃষক দিবস উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কৃষক সম্মান অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা, কৃষি প্রদর্শনী ও সচেতনতা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে লাভজনক ও টেকসই করতে প্রযুক্তিনির্ভর চাষাবাদ, জল সংরক্ষণ, ফসলের বৈচিত্র্য এবং সরাসরি বাজারের সঙ্গে কৃষকের সংযোগ আরও মজবুত করা জরুরি।
আজকের দিনে কৃষকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দেশের অন্নদাতাদের সম্মান ও অধিকার রক্ষার অঙ্গীকারই জাতীয় কৃষক দিবসের মূল বার্তা। কৃষকের উন্নতি ছাড়া দেশের সার্বিক অগ্রগতি সম্ভব নয়—এই উপলব্ধিই আজকের দিনের মূল প্রেরণা।

![]()

More Stories
রাজ্যে প্রথমবার PM বিশ্বকর্মা কর্মসূচি, কলকাতায় ৩ হাজার উপভোক্তাকে টুল কিট ও ঋণের চেক
দুর্গাপুজোয় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, সর্বোচ্চ চাহিদা ১২ হাজার মেগাওয়াট
কিশোরী মাতৃত্ব রুখতে কড়া পদক্ষেপ, পকসো আইনে মামলা করার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর